1. admin@updatedbarta24.com : admin :
শেরপুরে ইউপি নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতা, বিদ্রোহীদের কাছে আওয়ালীগের নৌকার প্রর্থীদের ভরাডুবি। - Updated Barta 24
বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুর হাইমচর আলগী উঃ ইউনিয়ন নৌকার মাঝি আতিক পাটওয়ারী ফুলে ফুলে শিক্ত নালিতাবাড়িতে মানুষ -হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর পত্নীতলায় সাংবাদিক হামলার ঘটনায় মানববন্ধন হাইমচর নীলকমলে চার বারের সফল মেম্বার খলিল মাতব্বর পুনরায় মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল হাইমচরে আলগী উঃ ইউনিয়নে সাবেক মহিলা মেম্বার রছুমা বেগম পুনরায় মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের গেজেট প্রকাশ নওগাঁর মান্দায় সরিষা খেতে চাষ হচ্ছে ভ্রাম্যমান মৌচাষের মাধ্যমে মধু নওগাঁর মান্দায় অভ্যন্তরীণ আমন ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন বেলকুচিতে বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনীঃ জনগনের পবিত্র আমানত জনগণের হাতে পৌঁছে দেওয়াই হবে আমার দায়িত্ব …….. মোঃ নাজিম উদ্দীন পাটওয়ারী

শেরপুরে ইউপি নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতা, বিদ্রোহীদের কাছে আওয়ালীগের নৌকার প্রর্থীদের ভরাডুবি।

এম শাহজাহান মিয়া, ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১২ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫৮ বার পঠিত

শেরপুর সদর উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গতকাল বৃহস্পতিবার (১১নভেম্বর) ভোট গ্রহন করা হয়। ৩টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের নৌকা বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হলেও ১১টি ইউপিতে জোরালো প্রতিদ্বন্ধিতায় ৪ টিতেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। তবে ভোট গ্রহনের সময় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় ব্যপক সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, লুটপাট, বাড়িঘর ভাঙচুর করে অগ্নি সংযোগ ও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে অন্তত সাতটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ শুরুর পর কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে লছমনপুর,পাকুরিয়া, রৌহা, সাতপাখিয়া, চর শেরপুর,কামারের চর, বাজিতখিলা, ইউপিতে এসব সংঘর্ষ ঘটে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, লছমনপুর ইউপির হাতিআগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট চলার সময় দুপুরে ফুটবল প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী আব্বাস ও পাখা প্রতীকের প্রার্থী উজ্জ্বলের সমর্থকদের মধ্যে ইট পাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, বাড়িঘরে হামলায় অন্তত ১০-১২টি বাড়িতে ভাংচুর, অগ্নি সংযোগ ও লোটপাটের ঘটনা ঘটে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্তত ৩০ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুড়ে। এখানে ২০-২৫ জন আহত হন এবং তোতা মিয়া (৩৫) নামে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়াও ঘিনাপাড়া কওমি মাদ্রাসা কেন্দ্রে ফুটবল ও তালা প্রতীকের সমর্থকরা কারচুপির অভিযোগ এনে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ালে পুলিশ ১৫-২০ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় অন্তত আরো ৩০ জন আহত হন। এলাকায় এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে টহল বৃদ্ধি করতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে চরশেরপুর ইউনিয়নের নাগপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ভোট স্থগিত করা হয়েছিল। এছাড়া একই ইউনিয়নের বামনের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা ও মেম্বার প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ওইসময় সদস্য প্রার্থী তোফাজ্জল মিয়া (৩৫) ও তার ছোটভাই শামীম হোসেন (২৪) প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হন। কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১২টার দিকে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকরা হুড়মুড়িয়ে ভোটকেন্দ্রের ভেতর ঢুকে পড়ে। এসময় তারা কর্তব্যরত নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিকট থেকে তিনটি করে ব্যালট বইয়ের মোট নয় সেট ব্যালট পেপার জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ওইসময় কর্তব্যরত পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং শর্টগানের এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ব্যালট ছিনতাইয়ের পর কেন্দ্রটির ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে রৌহা ইউনিয়নের নাও ভাঙা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোরগ ও তালা মার্কার মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে জাল ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে সকাল ১১ টার মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় নারী-পুরুষ সহ অন্তত ১০-১৫ জন আহত হয়েছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শানিয়াজ্জামান তালুকদার গোলযোগ সৃষ্টি হওয়ায় অন্তত ৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধের কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, পরবর্তী যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া ওইসব কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে। সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে দেখা যায় ভোটারদের দীর্ঘ লাইন।

কেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতিও দেখা যায়। উল্লেখ্য, সদরের ১৪ ইউপির নির্বাচনে ৪৩ জন চেয়ারম্যান, ৫৩৪ জন ইউপি সদস্য ও ১৯৬ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮৭৮ জন ভোটারের ভোট গ্রহনের জন্য ১৫০টি ভোট কেন্দ্রের ৭৩৪টি ভোট কক্ষ স্থাপন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা