1. admin@updatedbarta24.com : admin :
শেরপুরের শাহী বারোদুয়ারী মসজিদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। - Updated Barta 24
বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুর হাইমচর আলগী উঃ ইউনিয়ন নৌকার মাঝি আতিক পাটওয়ারী ফুলে ফুলে শিক্ত নালিতাবাড়িতে মানুষ -হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর পত্নীতলায় সাংবাদিক হামলার ঘটনায় মানববন্ধন হাইমচর নীলকমলে চার বারের সফল মেম্বার খলিল মাতব্বর পুনরায় মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল হাইমচরে আলগী উঃ ইউনিয়নে সাবেক মহিলা মেম্বার রছুমা বেগম পুনরায় মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের গেজেট প্রকাশ নওগাঁর মান্দায় সরিষা খেতে চাষ হচ্ছে ভ্রাম্যমান মৌচাষের মাধ্যমে মধু নওগাঁর মান্দায় অভ্যন্তরীণ আমন ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন বেলকুচিতে বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনীঃ জনগনের পবিত্র আমানত জনগণের হাতে পৌঁছে দেওয়াই হবে আমার দায়িত্ব …….. মোঃ নাজিম উদ্দীন পাটওয়ারী

শেরপুরের শাহী বারোদুয়ারী মসজিদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য।

এম শাহজাহান মিয়া, ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫১ বার পঠিত

বারোদুয়ারী মসজিদটি শেরপুর জেলার ঐতিহাসিক একটি নির্দশন। প্রাচীনকালে গড়জরিপা ছিল শেরপুরের রাজধানী। এটি শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার গড়জরিপা ইউনিয়নে অবস্থিত। ধারণা করা হয়, ভারতীয় উপ-মহাদেশে যখন ইংরেজদের শাসনামল ছিল, তার আগে বারোদুয়ারী মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ইংরেজদের শাসনামলে এক ভয়াবহ ভুমিকম্পে পুরো মসজিদটি মাটির নীচে চাপা পড়ে যায়। এক সময়ে জায়গাটি গভীর জঙ্গলে পরিণত হওয়ায় ভয়ে সেখানে কোন লোকজন আর যেতোনা।

ষাটের দশকে জামালপুরের মাওলানা আব্দুল আজিজ শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলায় ভুমি জরিপ কাজে পিএফ পদে চাকুরি করতে আসেন। এলাকায় তিনি পিএলও মাওলানা হিসেবে পরিচয়ও লাভ করেন। তিনি স্বপ্নযোগে বারোদুয়ারী মসজিদটি মাটি চাপারুপে দেখতে পান। পরে তিনি এলাকার প্রবীণ লোকদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। কিন্তু জঙ্গলটি বড় হওয়ায় স্থানটি নির্ধারণ করা বড়ই কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি হাতে একটি পাথর নিয়ে উপস্থিত লোকদেরকে পাথরের প্রতি খেয়াল রাখতে বলে চোখ বন্ধ করে ডিল ছুড়েন। পাথরটি যে স্থানে পড়ে সেখানে আনুমানিক ১০ফুট খোড়ার পর মসজিদের উত্তর দেয়ালের সন্ধান পান। তারপর ধাপে ধাপে পুরো মসজিদটি উদ্ধার করতে সক্ষম হন। দীর্ঘ সময় মাটিতে চাপা থাকায় বিভিন্ন অংশ অকেজো ও নষ্ট হওয়ায় স্বপ্নে দেখা নকসানুযায়ী ১৯৬৩ সালে মসজিদটি পূনরায় নির্মাণ করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন মসজিদের আস-পাশের জমিগুলো মসজিদের নামে দান করে দেন। মসজিদটি নির্মানের কিছুদিন পর মাওলানা আব্দুল আজিজ মারা যান। মসজিদটির ১২টি দরজা ও ৩টি গম্ভুজ থাকায় এটির নামকরণ করা হয়েছিল বারোদুয়ারী মসজিদ। এটির পুর্বে ৯টি দরজা, দক্ষিণে ২টি আর উত্তরে ১টি দরজা। তখন মসজিদটি ১তলা হলেও সময়ের পরিক্রমায় এখন ৫তলায় উন্নীত করা হয়েছে এবং নির্মাণ কাজ অব্যাহত আছে। প্রায় ৩-৪হাজার লোক একত্রে নামাজ পড়তে পড়ে। অপরুপ কারুকার্যে খচিত মসজিদটি দেখতে খুবই সুন্দর। পাশে আছে স্বচ্ছ পানির বিশাল দীঘি। প্রতিদিন দুর-দুরান্ত থেকে বহু নারী পুরুষ মসজিদটি এক নজর দেখতে ও তাদের মানত পূর্ণ করতে মসজিদে আসেন। তাছাড়া প্রতি শুক্রবার মানুষের ঢল নামে। দেখলে মনে হয় ঈদ-উৎসব। যানবাহন রক্ষনা বেক্ষণের জন্য রয়েছে মসজিদ কমিটি কর্তৃক বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা।
মসজিদটির রয়েছে ১জন খতিব, ১জন স্থানীয় ঈমাম, ১জন খাদেম। রয়েছে একটি শক্তিশালী পরিচালনা কমিটি। দেশের যে কোন জায়গা থেকে শেরপুর শহরের খোয়ারপাড় মোড় থেকে কালীবাড়ী বাজার হয়ে অথবা শেরপুর থেকে কুরুয়া বাজার হয়ে বারোদুয়ারী মসজিদে যাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা