1. admin@updatedbarta24.com : admin :
নওগাঁয় বাড়ছে শস্য নিবিড়তা - Updated Barta 24
বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুর হাইমচর আলগী উঃ ইউনিয়ন নৌকার মাঝি আতিক পাটওয়ারী ফুলে ফুলে শিক্ত নালিতাবাড়িতে মানুষ -হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর পত্নীতলায় সাংবাদিক হামলার ঘটনায় মানববন্ধন হাইমচর নীলকমলে চার বারের সফল মেম্বার খলিল মাতব্বর পুনরায় মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল হাইমচরে আলগী উঃ ইউনিয়নে সাবেক মহিলা মেম্বার রছুমা বেগম পুনরায় মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের গেজেট প্রকাশ নওগাঁর মান্দায় সরিষা খেতে চাষ হচ্ছে ভ্রাম্যমান মৌচাষের মাধ্যমে মধু নওগাঁর মান্দায় অভ্যন্তরীণ আমন ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন বেলকুচিতে বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনীঃ জনগনের পবিত্র আমানত জনগণের হাতে পৌঁছে দেওয়াই হবে আমার দায়িত্ব …….. মোঃ নাজিম উদ্দীন পাটওয়ারী

নওগাঁয় বাড়ছে শস্য নিবিড়তা

গোলাম রাব্বানী, নওগাঁ জেলার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৩ বার পঠিত

নওগাঁর মহাদেবপুরে বাড়ছে শস্য নিবিড়তা। একই জমিতে বছরে চাষ হচ্ছে তিন ফসল। ফলে কদর বেড়েছে জমির মালিকদের। কদর বেড়েছে কৃষকদের। জমির দামও বেড়েছে প্রচুর।

নওগাঁর ১৪ উপজেলার মধ্যে এখন জমির সবচেয়ে বেশি দাম মহাদেবপুর উপজেলায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন এই কৃতিত্ব পুরোটাই চাষিদের। তবে কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানের ফলেই চাষিরা আগ্রহি হয়ে উঠেছেন। আর চাষিরা বলছেন জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ফসলি জমি ফেলে রাখার জো নেই। এক ফসল তুলে সাথে সাথেই চাষ করছেন অন্য ফসল।

উপজেলা সদর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে হাতুড় ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রাম। মহাদেবপুর-সরাইগাছী পাকা সড়কের পাশেই মাঠজুড়ে পাকা আমন ধানের খেত। ধান কাটা শুরু হয়েছে অনেক আগেই। এমাঠের ধানও কাটার অপেক্ষায়।

মাঠের মাঝখানে দেখা গেল অল্প জমিতে ধান নেই। সেখানে আলু রোপণের কাজ করছেন একজন কৃষক। কাছে গিয়ে সালাম বিনিময়ের সময়ই বোঝা গেল তিনি মধ্যম শ্রেণির শ্রবন প্রতিবন্ধি। কিছুটা বুদ্ধি প্রতিবন্ধিও। খুব উঁচু গলায় কথা বলে ও ইশারা ইঙ্গিতে জানা গেল তার কাহিনী।

তিনি ওইগ্রামের চেঘো চন্দ্র বর্ম্মণের ছেলে নিবাস চন্দ্র বর্ম্মণ। তার ৬ কাঠা জমিতে লাগিয়েছিলেন আগাম আমন ধান। তাই সবার আগেই কাটা হয়েছে। ধান কেটেই জমি চাষ করে সার ছিটিয়ে রোপণ করছেন আলুর বীজ। ৩ মাস পর মাঘ মাসে উঠবে এই আলু। নিজের বাড়িতে সংরক্ষণ করা আধা মণ আলু অঙ্গুরিত হয়েছে। সেগুলোই রোপণ করছেন।

বিঘাপ্রতি ফলন হবে ২০ মণ, এমনই আশা করছেন তিনি। আলু তুলে আবার লাগাবেন ইরিবোরো। ৩ মাস পর বোরো ধান কাটা হয়। এরপর চাষ করবেন আমন ধান। এভাবে প্রতিবছর এজমিতে আবাদ করছেন ৩ ফসল।

বয়োবৃদ্ধ চাষিরা জানালেন, আগে এসব জমিতে বছরে একটি শুধুমাত্র আমন ধান হতো। ফলন হতো বিঘাপ্রতি ৬/৭ মণ। আশির দশকে কৃষি বিভাগের পরামর্শে এসব জমিতে লাগানো শুরু হলো খরালি ইরিধান।

এখন অগ্রহায়ণে আমন ধান কাটার পর রবি মৌসুমে সে জমিতে কেউ কেউ লাগান আলু, কেউ সরিষা, আবার কেউ গম, ভূট্টা, সূর্যমুখি, চিনাবাদাম, পেঁয়াজ।

কেউ কেউ জমিতে লারা থাকা অবস্থায় হাল না দিয়েই ছিটিয়ে দেন খেসারি কালাই, মাস কালাই, মুগ অথবা মসুর ডাল।

এগুলো তুলে মাঘ-ফাল্গুন মাসে রোপণ করা হয় ইরিবোরো ধান। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠতে ইরিধান কাটা হয়। যারা সরিষা লাগান তাদের আর বোরো লাগানোর সময় থাকে না। তারা লাগান সনাতন পদ্ধতির আউশ ধান। এরপর আবার আমন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অরুন চন্দ্র রায় জানালেন, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিটি ব্লকে নিয়মিত চাষিদের নিয়ে বৈঠক করে কোন মাসে খেতের কি করণীয় তা আলোচনা করেন। তাদের তৎপরতাতেই উপজেলার বেশিরভাগ জমিতে বছরে ৩ টি ফসল আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা